পটিয়া সমিতি, ঢাকা
পটিয়া সমিতি, ঢাকা একটি অরাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, যা চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার মানুষের মাঝে সৌহার্দ্য, ঐক্য ও সহমর্মিতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। রাজধানী ঢাকায় অবস্থানরত পটিয়াবাসীদের মধ্যে বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানই এই সমিতির প্রধান লক্ষ্য। সমিতি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক কার্যক্রম আয়োজন করে থাকে, যেমন—মিলনমেলা, ছাত্রবৃত্তি প্রদান, রক্তদান কর্মসূচি ও দুঃস্থদের সহযোগিতা। “একতা, সহযোগিতা ও উন্নয়ন”—এই মূলমন্ত্রে বিশ্বাসী পটিয়া সমিতি, ঢাকা এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে চলেছে।
শিক্ষাবৃত্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
পটিয়া সমিতি – ঢাকা কর্তৃক মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ১০টি শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হবে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (আর ৪ দিন বাকি)৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণি
২টি শিক্ষাবৃত্তি প্রতি শিক্ষার্থী মাসিক ২,০০০ টাকাএইচএসসি / সমমান
৩টি শিক্ষাবৃত্তি প্রতি শিক্ষার্থী মাসিক ৩,০০০ টাকাসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় / সরকারি মেডিকেল কলেজ / সরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
৫টি শিক্ষাবৃত্তি প্রতি শিক্ষার্থী মাসিক ৫,০০০ টাকাসভাপতির শুভেচ্ছা বাণী
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে অনন্য এবং শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ সাবেক পটিয়া মহকুমা বর্তমান পটিয়া উপজেলা। পটিয়া উপজেলার ঢাকাবাসী জনগণের প্রিয় প্রাঙ্গন পটিয়া সমিতি ঢাকা। এই সমিতির “ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” পটিয়া বাসীর মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি পারষ্পারিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশা রাখি।
“ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” উপলক্ষ্যে স্বরণীকা প্রকাশের বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ।
পটিয়া সমিতি ঢাকার আজকের “ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান-২০২৪” অনুষ্ঠানের পিছনে যাদের বদান্যতা, নিরলস কঠোর পরিশ্রম ও পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। পটিয়া সমিতি ঢাকার নেত্রীবৃন্দ সহ জীবন সদস্যগণ যে আস্থা এবং বিশ্বাস রেখে এই সামাজিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আমার উপর অর্পন করেছেন, তাদের এই আস্থা ও বিশ্বাসের জন্য তাদের সহ সকলের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, সমাজ সেবামূলক কাজে নতুন যুগোপযোগী কর্মসূচী গ্রহণ বাস্তবায়নের কাজে আমার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে সেই প্রত্যয় ব্যক্তি করছি। সকলের অভিজ্ঞতা জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সমন্বয় ঘটিয়ে এই সমিতি প্রতিটি কর্মসূচী এগিয়ে নিতে চাই।
অনেকের আর্থিক সহায়তা, আন্তরিকতা ও নিরলস প্রচেষ্টার কারনে আজকের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। আজকের এই অনুষ্ঠানের সাফল্য যদি কিছু থাকে তা আপনাদেরই এবং ব্যর্থতা যদি কিছু থাকে তার দায়ভার আমাদের। আমি শ্রদ্ধার সাথে স্বরন করছি আমাদের পটিয়া সমিতি ঢাকার সাবেক সভাপতি মরহুম সর্বজনাব মামুন-উর রশিদ, মোঃ আবু তেয়ব ও হামিদুল হক সাহেব সহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণকে যাদের সার্বিক প্রচেষ্টায় পটিয়া সমিতি, ঢাকা এ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। পরিশেষে রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত পটিয়া বাসীর এবং পটিয়ার সমগ্র জনগোষ্ঠীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
শুভেচ্ছান্তে:
মোঃ আলী নাওয়াজ
সভাপতি
পটিয়া সমিতি, ঢাকা ।
সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য
বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও গৌরবময় জনপদের নাম পটিয়া। তৎকালীন ব্রিটিশ ও সাহিত্যে আমাদের পটিয়ার কতি সন্তানদের অবদান অনস্বীকার্য।
আজ এই মহেন্দ্রক্ষণে আমি পটিয়ার সকল কতি সন্তানদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।
আমি বিশেষ করে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ছির সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালনরত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শ্রদ্ধেয় মরহুম মামুন উ রশীদ। ১ বৎসর ৮ মাস সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি; স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সাবেক যারা বিগত কার্যনির্বাহী পরিষদে থেকে পারা সমিতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা
রেখেছেন, অথচ এখন আমাদের মাঝে আর এই সেই সম্মানিত ব্যক্তিদের। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশেষ করে কারত্ব দূরীকরণের যে দৃষ্টান্ত পটিয়ার গর্বিত সন্তানরা রেখে যাচ্ছেন সেই রত্নগর্ভা মায়ের সন্তানদের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা ও অভিবাদন। পটিয়ার খ্যাতিমান ও গুণী ব্যক্তিদের সম্মানকে সমুন্নত রেখে ও বিগত কার্যকরী পরিষদের কর্মপরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় বর্তমান কমিটি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পটিয়া সমিতি-ঢাকা প্রায় প্রতি বছরই মেজবান ও মিলন মেলার আয়োজন করে থাকে। এই আয়োজন আমাদের পারস্পরিক ভাতৃত্ববোধ, একে অপরের সাথে যোগাযোগে উৎকর্ষ সাধন ও মেলবন্ধনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে, তারই ফলশ্রুতিতে আমাদের এই ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবান অনুষ্ঠানের আয়োজন।পটিয়া সমিতি- ঢাকা'র স্থায়ী অফিস ক্রয়ের পর এই সমিতি শুধু মেজবান ও মিলনমেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন, ইতিমধ্যে পটিয়ার অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থেকে সহযোগিতার লক্ষ্যে আমরা শিক্ষা বৃত্তি তহবিল গঠন করেছি। যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায় তাই তহবিলের জন্য আলাদা ব্যাংক একাউন্ট করা হয়েছে, একই সাথে বর্তমান কার্যকরী কমিটির অনেকে এই একাউন্টে অনুদান প্রদান করেছেন এবং অনেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আশা করছি সকল স্বাবলম্বী সম্মানিত জীবন সদস্য এবং আমাদের পটিয়ার ধনাঢ্য ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসলে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে অনেক বড় আকারের তহবিল গঠন করতে সক্ষম হব। এছাড়াও বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে অনিন্দ্য সুন্দর পটিয়া বিনির্মাণে সমিতির অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। ঈদ পুনর্মিলনী ও মেজবানের পাশাপাশি আমাদের আরেকটি অনুষঙ্গ "ঐতিহ্য" স্মরণিকা প্রকাশনা। পটিয়ার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি তুলে ধরার পাশাপাশি, পটিয়ার গুণী ও খ্যাতিমান ব্যত্ত্বিদের জীবনী ও কর্মযজ্ঞ গুলো তুলে ধরার চমৎকার একটি মাধ্যম। এই প্রকাশনায় যারা নিরলস ভাবে কাজ করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং একই সাথে যে সমস্ত সম্মানিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আর্থিক সহযোগিতার পাশাপাশি আমাদেরকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বাংলাদেশের প্রত্যেক প্রান্তে পটিয়ার সূর্য সন্তানেরা আলো ছড়িয়ে দিক একই সাথে একে অপরের পাশে থেকে সহযোগিতা, সহমর্মিতার মাধ্যমে পটিয়ার ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখুক,এই প্রত্যাশায় সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। মহান আল্লাহ সবার সহায় হোন।
শুভেচ্ছান্তে
মোঃ নুরুল ইসলাম
সাধারণ সম্পাদক
পটিয়া সমিতি-ঢাকা।
মোবাইল নং-০১৮৫১১১৬৬৪৫